শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২০, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
Title :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান পাটকল শ্রমিকদের বঞ্চনার অবসান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের শ্রমিকদের শতভাগ পাওনা পরিশোধে প্রেস কনফারেন্স খুমেক হাসপাতালে আরো ৯৩‌ জনের করোনা শনাক্ত খুলনায় দুই গৃহবধুর আত্মহত্যা, আটক ১ খুলনায় রেড জোনে বিধি নিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করার অপরাধে ৯ মামলায় ১০ হাজার ৬শ টাকা জরিমানা খুলনার রূপসায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মুক্তিযোদ্ধার দাফন সম্পন্ন খুলনার পাইকগাছায় ৬ জুয়াড়ী আটক ‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍করোনা পরিস্থিতিতে সরকারের ‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত সংসদের সামনে বাজেটের কপি ছেঁড়া বিএনপি’র ঔদ্ধত্যের নতুন বহিঃপ্রকাশ — তথ্যমন্ত্রী ফকিরহাটের ভৈরবে একটি পাইপের কারনে কমতে পারে নদীর নাব্যতা

ঝিনাইদহে মাঠের পর মাঠ সর্ষে চাষ, মাঠে মাঠে হলুদের ছোয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৭ মে, ২০২০
  • ১৯ জন সংবাদটি পড়েছেন

দক্ষিণের জেলা ঝিনাইদহের ছয় উপজেলার মাঠের পর মাঠ সর্ষে চাষ হয়েছে। এবার কৃষক ও সংশ্লিষ্ট অফিস বাম্পার ফলনের আশা করছেন। দেশের ঋতু পরিক্রমায় হেমন্ত ও শীত ঋতুতে মাঠে মাঠে এই সরিষার চাষ হয়ে থাকে। ফলে এ জেলায় চাষ হওয়া সরিষা দেশের মোট চাহিদার বড় একটি অংশ পুরণে ভূমিকা রাখে বলে জেলার কৃষি অফিস জানিয়েছে।
এ অঞ্চলের প্রত্যান্ত এলাকা ঘুরে দেখা যায় মাঠের পর মাঠ সরিষা ফুলের অপূর্ব হলুদ শোভার চোখ জুড়ানো দৃশ্য আর মন মাতানো গন্ধে প্রকৃতির সৌন্দর্য যেমন বাড়িয়ে দিয়েছে। ঠিক তেমনি অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার হলুদ স্বপ্নে বিভোর এ অঞ্চলের কৃষকরা। চলতি মৌসুমে এ জেলায় ৩ হাজার ৩৩১ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হলেও চাষ হয়েছে ৩ হাজার ৩৩৫ হেক্টর। কৃষকরা এখনো সরিষা চাষ করছে। ফলে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার বেশি সরিষা চাষ হবে বলে আশা করছে জেলা কৃষি অফিস। গত মৌসুমে ঝিনাইদহে ৩ হাজার ১২৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হলেও চাষ হয়েছিল ৩ হাজার ১৩০ হেক্টর জমিতে। ওই বছর ফলন হয়েছিল ৪ হাজার ৫৬ মেট্রিক টন সরিষা। জেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধান উঠার পর ইরি বোরো ধান রোপনের আগে জমি অলস পড়ে থাকে। এ সময়ে শরিষা চাষ করা হয়। ফলে একদিকে যেমন তেলের চাহিদা মিটিয়ে অর্থনৈতিকভাব লাভবান হয়, অন্যদিকে জমিতে জৈব সারের ঘাটতি পুরণে বিরাট ভূমিকা রাখে। এছাড়া জেলার কালীগঞ্জে অবস্থিত অন্যতম ভারি শিল্প মোবারকগঞ্জ চিনিকল। এসময় মিলটির আখ রোপন মৌসুম। ফলে কৃষকরা আখ রোপনের পর ওই জমিতে সরিষা চাষ করে থাকে। ফলে একই জমিতে আখের সাথে সরিষা চাষের বাড়তি একটি সুযোগ পেয়ে থাকে কৃষকরা। জেলা কৃষি স¤প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃপাংশু শেখর বিশ্বাস জানান, গত কয়েক বছর ধরে এ অঞ্চলে সর্ষে চাষ বাড়ছে। উচ্চ ফলনশীল সরিষা ও আবাদ ভালো হওয়ায় গত বছরের থেকে এবার বাম্পার ফলনের আশা করছেন তিনি। আমন ধান কাটার পর মাঠ ফাঁকা হয়ে যাওয়ায় জমি পড়ে থাকে। এসময় সরিষা চাষ করা হয়। সরিষা তুলে আবার বোরো ধান আবাদ করা যায়। ফলে প্রতিবছরই এ অঞ্চলের কৃষকরা সরিষা চাষ করে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu