বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
খুলনা জেলা এসডিজি ফোরামের ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত ফকিরহাটে সড়ক দূর্ঘটনায় ট্রাক চালক নিহত, আহত-২ বর্তমান সরকার সর্বদা গরীব অসহায় এবং দুঃস্থদের সাহায্য করে আসছেন-রূপসায় জুম কনফারেন্সে এমপি সালাম মূর্শেদী “প্রিয়া ইসলাম ফাতিহা” হতে পারে সবার জীবনে অনুকরনীয় ডুমুরিয়া কলেজ মাঠে মানুষ বিক্রির হাট !           রূপসায় সুন্দরবনের জলদস্যু রাজু গ্রেফতার খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে ২৫০ গ্রাম গাঁজাসহ আটক-১ পাবনার আটঘরিয়ায় গৃহিনীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ! হত্যা নাকি আত্মহত্যা ? দিঘলিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুগ্রুপের সংঘর্ষ, আটক-৭ ফকিরহাটে কলেজ ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনায় আটক-১

খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া হতদরিদ্রদের চাল আত্মসাৎকারী ডিলার এখনো গ্রেফতার হয়নি !

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০
  • ২৯৫ জন সংবাদটি পড়েছেন

খুলনার রূপসা উপজেলার হতদরিদ্রদের ১০ টাকা কেজি মূল্যের চাল আত্মসাৎকারী খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার সরদার মিজানুর রহমানকে এখনো গ্রেফতার করা হয়নি। জনমনে বিচারহীনতার গুঞ্জন। ভূক্তভোগীদের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণ পেয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার। তিনি গত ২২মে অভিযুক্ত ডিলারের ২০ হাজার টাকা জরিমানা, ডিলারশিপ বাতিল, ১৪ পরিবারের ৪ বছরের পাওনা চাল ফেরত এবং অভিযুক্ত ডিলারের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির সুপারিশ করে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি প্রতিবেদন দাক্ষিল করেছেন।

ভূক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়- ডিলার সরদার মিজানুর রহমান ওই এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তিনি শ্রীফলতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সরদার মিজানুর রহমান রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ১০ টাকা মূল্যে বিতরণ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার। ২০১৬ সাল থেকে তিনি ১৪টি পরিবারে চাল নিয়মিত আত্মসাৎ করে আসছিলেন। নাম থাকা সত্ত্বেও চাল না পাওয়া ওই ১৪ ব্যক্তিরা হলেন-উপজেলার নন্দনপুর গ্রামের শহিদ শেখ, সেলিম শেখ, আনিসুর রহমান, সাইদুর রহমান, খালেদা বেগম, জাহিদ মুন্সি, মুকুল শেখ, কামাল শেখ, রফিকুল শেখ, মমতাজ, নাসিম হাওলাদার, ওলিয়ার হাসান, আসলাম খাঁ ও ফারুক হাওলাদার। তারা জানান, তাদের নাম, ছবি ও ন্যাশনাল আইডিকার্ড নেওয়া হয়েছিলো ২০১৬ সালে। তবে তাদের নামে কার্ড হয়েছে কিনা তা জানেন না। তারা কখনো ১০ টাকা মূল্যের এই চাল উত্তোলন করেননি। গত শনিবার সকাল ১০টায় রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিনে তদন্তে যান। এসময় তিনি ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গ্রহন করেন। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, ২০১৬ সাল থেকে তাদের এ চাল দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি তারা জানোও না যে তাদের নামে কার্ড আছে। সুতারাং ডিলার সরদার মিজানুর রহমান যে তাদের চাল আত্মসাৎ করেছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। ওই ১৪ ব্যক্তির গত ৪ বছরের ক্ষতিপূরণ আদায়সহ তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনসহ তার ডিলারশিপ বাতিল করার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার। যে কথা সেই কাজ তিনি তার যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন।

উল্লেখ্য আজ ৭ দিন অতিবাহিত হলেও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া হতদরিদ্রদের চাল আত্মসাৎকারী ডিলার মিজান সরদার আইনের আওতায় না আসায় এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি যাতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর পর্যন্ত যায় সেজন্য এলাকার স্বচেতন মানুষ গণস্বাক্ষর সম্বলিত একটি অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি গ্রহন করেছে বলে জানা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu