শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ডুমুরিয়ার থুকড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস ভবন জরাজীর্ণ, সংস্কারের দাবী শ্যামনগরের কৈখালী কোষ্টগার্ডের অভিযানে ২৫০ পিছ ইয়াবা সহ ১ জন আটক রূপসায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরন সুন্দরবনের নিষিদ্ধ এলাকা থেকে ৪ জেলেকে আটক করছে বনবিভাগ ডুমুরিয়ায় ব্র্যাকের প্রত্যাশা প্রকল্পের মাইগ্রেশন ফোরামের সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে এয়ার সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ২ পুলিশ কনস্টেবল দগ্ধ সুন্দরগঞ্জে ভিমরুলের কামড়ে নিহত নুসরাতের পরিবারের পাশে ইউএনও রাজবাড়ীতে আড়াই কেজি গাঁজা উদ্ধার দৌলতদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মন্ডলের প্রথম মৃত্যু বাষির্কী পালিত বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারীরা পুনরায় সুন্দরবন প্রবেশে অভিনব কৌশল অবলম্বন

খুলনায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া হতদরিদ্রদের চাল আত্মসাৎকারী ডিলার এখনো গ্রেফতার হয়নি !

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০
  • ৩৩৪ জন সংবাদটি পড়েছেন

খুলনার রূপসা উপজেলার হতদরিদ্রদের ১০ টাকা কেজি মূল্যের চাল আত্মসাৎকারী খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার সরদার মিজানুর রহমানকে এখনো গ্রেফতার করা হয়নি। জনমনে বিচারহীনতার গুঞ্জন। ভূক্তভোগীদের অভিযোগ তদন্তে প্রমাণ পেয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার। তিনি গত ২২মে অভিযুক্ত ডিলারের ২০ হাজার টাকা জরিমানা, ডিলারশিপ বাতিল, ১৪ পরিবারের ৪ বছরের পাওনা চাল ফেরত এবং অভিযুক্ত ডিলারের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির সুপারিশ করে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি প্রতিবেদন দাক্ষিল করেছেন।

ভূক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়- ডিলার সরদার মিজানুর রহমান ওই এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তিনি শ্রীফলতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সরদার মিজানুর রহমান রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক ১০ টাকা মূল্যে বিতরণ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার। ২০১৬ সাল থেকে তিনি ১৪টি পরিবারে চাল নিয়মিত আত্মসাৎ করে আসছিলেন। নাম থাকা সত্ত্বেও চাল না পাওয়া ওই ১৪ ব্যক্তিরা হলেন-উপজেলার নন্দনপুর গ্রামের শহিদ শেখ, সেলিম শেখ, আনিসুর রহমান, সাইদুর রহমান, খালেদা বেগম, জাহিদ মুন্সি, মুকুল শেখ, কামাল শেখ, রফিকুল শেখ, মমতাজ, নাসিম হাওলাদার, ওলিয়ার হাসান, আসলাম খাঁ ও ফারুক হাওলাদার। তারা জানান, তাদের নাম, ছবি ও ন্যাশনাল আইডিকার্ড নেওয়া হয়েছিলো ২০১৬ সালে। তবে তাদের নামে কার্ড হয়েছে কিনা তা জানেন না। তারা কখনো ১০ টাকা মূল্যের এই চাল উত্তোলন করেননি। গত শনিবার সকাল ১০টায় রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিনে তদন্তে যান। এসময় তিনি ভুক্তভোগীদের বক্তব্য গ্রহন করেন। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, ২০১৬ সাল থেকে তাদের এ চাল দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি তারা জানোও না যে তাদের নামে কার্ড আছে। সুতারাং ডিলার সরদার মিজানুর রহমান যে তাদের চাল আত্মসাৎ করেছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। ওই ১৪ ব্যক্তির গত ৪ বছরের ক্ষতিপূরণ আদায়সহ তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনসহ তার ডিলারশিপ বাতিল করার কথা জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার। যে কথা সেই কাজ তিনি তার যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছেন।

উল্লেখ্য আজ ৭ দিন অতিবাহিত হলেও প্রধানমন্ত্রীর দেয়া হতদরিদ্রদের চাল আত্মসাৎকারী ডিলার মিজান সরদার আইনের আওতায় না আসায় এলাকার মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি যাতে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর পর্যন্ত যায় সেজন্য এলাকার স্বচেতন মানুষ গণস্বাক্ষর সম্বলিত একটি অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি গ্রহন করেছে বলে জানা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu