শুক্রবার, ২৫ জুন ২০২১, ০৪:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
পলাশবাড়ীতে আওয়ামী লীগ নেতাকে প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন যশোরের কুয়াদায় ১ কেজি গাঁজাসহ যুবক আটক ডুমুরিয়ায় জলবায়ু সহনশীল বাগদা চিংড়ি উৎপাদন শীর্ষক অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর অনুষ্ঠিত। নেয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভায় আওয়ামীলীগের বিবদমান দুটি গ্রুপ,১৪৪ ধারা জারি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ গুলো সর্ব শান্ত হচ্ছে(পর্ব-১) ধামরাইয়ে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে দুর্ধর্ষ ডাকাতি আহত-৪ সারাদেশে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আভাস পানি উন্নয়ন বোর্ডের অবহেলা ও সুবিধাভোগীদের অপব্যবহারে নষ্ট হচ্ছে স্লুইচগেট, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় বৃদ্ধার মৃত্যু শ্যামনগরে র‌্যাবের অভিযানে ৪৫ রাউন্ড কার্তুজসহ গ্রেফতার-২

বঙ্গবন্ধুর কালো গাড়ী !

এম এ কায়েস
  • আপডেট টাইম মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২০
  • ১৩৩ জন সংবাদটি পড়েছেন
১৯৭৫ সনে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তার স্বার্থে বঙ্গবন্ধু তিনটি সরকারী গাড়িতে যাতায়াত করতেন; তার মধ্যে একটি ছিলো কালো রঙের। কোন দিন কোন গাড়িতে চড়বেন, সেটা তাঁর প্রটোকলের লোকরাই ঠিক করতো। ১৪ আগস্ট সারাদিনের কাজ শেষে সন্ধ্যায় গণভবন থেকে ৩২ নম্বরের বাড়িতে ফেরার জন্য সেদিন বঙ্গবন্ধুকে নিতে এসেছিলো একটি কালো গাড়ি। গাড়িটি দেখে কেমন যেন বিমর্ষ বোধ করেছিলেন জাতির জনক এবং তিনি মন্তব্য করেন, ‘আজকে কালো গাড়ি’।
আমার শোনা ওটাই তাঁর শেষ মন্তব্য’ — বলেছেন বঙ্গবন্ধুর একান্ত সচিব ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন।বাসস’ এর কাছে ১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্টের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো একজন অবিচল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও থমকে গিয়েছিলেন শেষ বারের মতো কালো গাড়িতে উঠতে গিয়ে! এটা একটা আশ্চর্য্য বিষয়।
তিনি বলেন, প্রতিদিনের মতোই তাঁকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিতে গিয়েছিলাম আমি সহ কয়েকজন। সেদিন খুবই বিষন্ন মন নিয়ে বিদায় নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
মৃত্যুর আগে প্রতিটি নেক বান্দা কেমন করে যেন বুঝে ফেলে যে আল্লাহর কাছে তাঁর ফেরার সময় হয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর সময় প্রত্যেক মানুষ মৃত্যুর ফেরেশতাকে দেখতে পায়, এবং অনেক মানুষ মৃত্যুর আগেই তাদের উপস্থিতি অনুভব করে।
সেদিন সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু বাসায় ফিরে আসার পর খন্দকার মোস্তাক এসে বঙ্গমাতাকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হাঁসের মাংস খেতে পছন্দ করেন। তাই পাকিয়ে নিয়ে এসেছি।’
মোশতাকের হাঁসের মাংস দিয়ে শেষ বড় খানাটি খেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। আর খাবার সময় মোশতাক বঙ্গবন্ধুর পাশেই বসে গল্প করেছিলেন। মোশতাক হয়তো বুঝতে এসেছিলো সব ষড়যন্ত্র ঠিক মতো চলবে কিনা!!
এর কয়েক ঘন্টা পরেই সকাল ৫:৩০ মিনিটে ঘাতকের দল বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ঘিরে ফেলে। চারিদিকে মসজিদে চলছিল তখন ফজরের আজান, –আসসালাতু খাইরুম মিনান্নাউম।
অনুমান করি গণভবন থেকে ফেরার পথে মৃত্যুর ফেরেশতারা এসে বঙ্গবন্ধুর হৃদয়ের কানে সালাম দিয়ে গিয়েছিলো, কালো গাড়ী দেখে তাই তাঁর অবচেতন মন বিষণ্ণ হয়েছিলো।
আর রাতের খাবারের সাথে এসেছিলো স্বয়ং ইবলিশ, বাংলাদেশের মুসলমানদের এতিম বানাবে বলে। ইবলিশের ফেতনা কারো পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়।
বঙ্গবন্ধুই পেরেছিলেন দেশে প্রত্যাবর্তন করেই শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীকে বলতে, ম্যাডাম, ভারতীয় বাহিনী কবে বাংলাদেশের মাটি ছাড়বে? এক সপ্তাহের মধ্যে আর্মী চলে গিয়েছিল।
তিনি আমাদের জন্যে যে স্বাধীনতা,গর্ব ও আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছিলেন সেইরূপ স্বাধীনতা পৃথিবীর কোথাও কেউ কখনো দেখেনি।
উই মিস ইউ ফাদার অব বঙ্গবন্ধু ——-

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu