সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
পাইকগাছায় পুলিশের অভিযানে একাধিক মামলার আসামী সন্ত্রাসী হালিম শিকারী আটক  ডুমুরিয়ার আটলিয়ায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন রূপসা থানার উদ্যোগে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত রূপসায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ পালিত ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের  গোলনা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছার চাঁদখালী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগের চুড়ান্ত প্রার্থী ৩ জন গারো নেতা পরেশ চন্দ্র মৃ এর ২৩ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হলো ডুমুরিয়া থানা পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে আনন্দ উদযাপন অনুষ্ঠান দিঘলিয়া থানা পুলিশের উদ্যোগে ৭ই মার্চের আলোচনা সভা নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ডুমুরিয়ায় ৭ ই মার্চ উদযাপিত

খুলনায় আঠারোবেঁকি নদীর উভয় পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০
  • ১৩২ জন সংবাদটি পড়েছেন

 নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে খুলনার আঠারোবেঁকি নদীর রূপসা ও তেরখাদা উপজেলার সীমান্ত চাঁনপুর-ছাগলদাহ এলাকায় নদীর পাড়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব এ এইচ এম আনোয়ার পাশা। এসময় তিনি একটি করে আম ও নিমের চারা রোপণ করেন। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, খুলনা পওর বিভাগ-১ এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে যাতে বনায়ন ও সবুজ বেষ্টনীর সৃষ্টি হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই ১ কোটি গাছের চারা রোপণের কার্যক্রম হাতে নেয় সরকার। এরই অংশ হিসাবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় ১০ লক্ষ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এ লক্ষ্যে খুলনা পওর বিভাগ-১, (বাপাউবো) খুলনার অধীনে রূপসা ও তেরখাদা উপজেলায় সদ্য সমাপ্ত আঠারোবেঁকি নদীর উভয় পাশে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত নির্দেশাবলী অনুসরণ করে ১৫ হাজার গাছের চারা রোপণের কার্যক্রম শুরু করে। দেশের ভূ-প্রকৃতির অবস্থা পরিবেশ এর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বৃক্ষরোপণের জন্য বন বিভাগ ও মন্ত্রণালয় কর্তৃক গাছের তালিকা হতে বৃক্ষের প্রজাতি নির্ধারণ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে পাখিদের আহার ও বাসস্থানের উপযোগী, ছায়াদানকারী ক্যানোপি সৃষ্টি, লবণাক্ত পানির সহিষ্ণুতা এসকল বিষয়সমূহ লক্ষ রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে একটি চারা থেকে আরেকটি চারার দূরত্ব গাছের ক্যানোপি (পাতার বিস্তার) অনুযায়ী ৬.০০ মিটার বা ২০ ফুট নির্ধারণ করা হয়েছে। এই বনায়নের মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় কিছুটা সহায়ক হবে। তবে আঠারোবেঁকি নদীর বাকী অংশে নদীর উভয় পাশের খাস জমিতে আরো প্রায় এক লক্ষ গাছ লাগানো সম্ভব। এসব গাছ লাগানোর মাধ্যমে যেমন ভূমিদস্যুদের দখলমুক্ত থাকবে অন্যদিকে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা ও দেশের জনগণের খাদ্য পুষ্টি চাহিদা মেটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম পিইঞ্জ, খুলনা পওর বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম, খুলনা পওর বিভাগ-১ এর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শেখ হুমায়ূন কবীর, তেরখাদা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ শহীদুল ইসলাম, তেরখাদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিমুল কুমার সাহা, রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তার, তেরখাদা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. শরাফাত হোসেন (মুক্তি), তেরখাদা পওর শাখা, বাপাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও মো. আবদুস সোবহান হাওলাদার প্রমুখ। এ সময় আঠারোবাঁকী নদীর পাড়ে আম, নিম, কড়ইসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu