শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

রাজনৈতিক দলের সব পর্যায়ের কমিটিতে নারীর এক তৃতীয়াংশ প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার দাবি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২০
  • ১০৬ জন সংবাদটি পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃখুলনা প্রেসক্লাবের শহীদ হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে খুলনা জেলা নারী উন্নয়ন ফোরাম ও অপরাজিতা নেটওয়ার্কের যৌথ উদ্যোগে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ  ও নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

২৬ নভেম্বর সকাল ১০.৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত সভায় ‘রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন-২০২০’-এ রাজনৈতিক দলের কমিটিতে এক-তৃতীয়াংশ নারীকে সম্পৃক্তকরণের সময় সীমা বেঁধে দেওয়া এবং জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটিতে নারীর অংশগ্রহণ এবং অগ্রগতি কতটুকু হলো তার হালনাগাদ প্রতিবেদন নির্বাচন কমিশনকে প্রদান বিষয়গুলি অন্তভুক্তির জন্য মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

নারী উন্নয়ন ফোরাম সেন্ট্রাল কমিটির চিফ কো-অর্ডিনেটর ও ফুলতলা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারজানা ফেরদৌস নিশার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন খুলনা জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা এম মাজাহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জেলা কমিটির ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক এ্যাডঃ নিতাই চন্দ্র রায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জেলা সভাপতি এ্যাডঃ শফিকুল আলম মনা, জাতীয় পাটির জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন, বাংলদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মহানগর কমিটির এইচ এম শাহাদাৎ রূপান্তর-এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ, সহকারী-তথ্য কর্মকতা মোঃ আতিকুর রহমান, এ্যাডঃ পপি ব্যানাজী, এ্যাডঃ অশোক কুমার সাহা, হালিমা বেগম, জন্মভুমি’র চিফ রিপোর্টার সোহরাব হোসেন, সহকারী-তথ্য কর্মকতা মোঃ আতিকুর রহমান প্রমুখ। সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রূপান্তর-এর পিস কন্সোর্টিয়ামের পরিচালক শাহাদত হোসেন বাচ্চু।
সভায় বক্তরা বলেন, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ (সংশোধন-২০০৯) অনুচ্ছেদ ৯০বি অনুযায়ী রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ সকল কমিটিতে ৩৩% নারীর প্রতিনিধিত্ব ২০২০ সালের মধ্যে নিশ্চিত করার কথা ছিলো। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে ১০ বছর পার করেও আশাপ্রদ অগ্রগতি না হওয়ায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিতে নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দলের কাছে দেয় এবং ‘রাজনৈতিক দল নিবন্ধন আইন-২০২০’ নামে পৃথক আইন নির্বাচন কমিশন অনুমোদন দিয়েছে যেখানে রাজনৈতিক দলের সকল কমিটিতে ৩৩% নারী থাকার কথা থাকলেও তা কবে নাগাদ পূরণ হবে তা সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। নির্বাচন কমিশন এই আইনটি সম্প্রতি মন্ত্রীপরিষদের সুপারিশর জন্য পাঠিয়েছে। বাংলাদেশে নারীরা যখন এগিয়ে যাচ্ছে, তখন এই ধরনের সিদ্ধান্ত নারীদের আবার পিছিয়ে দেওয়ার সামিল। যেখানে নারীর সরাসরি ভোটে অংশ নেওয়ার সুযোগ হয়েছে, সেখানে নারীরা ভালো করেছেন। আরপিও’র বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হলে সব জায়গায় নারীদের অংশগ্রহণ আরো কমে যাবে। দেশে ৫১শতাংশ ভোটার নারী, রাজনৈতিক দলে তাদের প্রতিনিধিত্ব ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

মতবিনিময় শেষে নারী উন্নয়ন ফোরাম ও অপরাজিতাদের পক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধি এবং নির্বাচন কমিশন বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপি গ্রহণ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারেরপক্ষে খুলনা জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা এম মাজাহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পক্ষে জেলা কমিটিরত্রাণ ও সমাজ কল্যান সম্পাদক এ্যাডঃ নিতাই চন্দ্র রায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষে জেলা সভাপতি এ্যাডঃ শফিকুল আলম মনা, জাতীয় পাটির পক্ষে জেলা কমিটির সহ-সভাপতি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন ও বাংলদেশ কমিউনিস্ট পার্টি’র পক্ষ মহানগর কমিটির এইচ এম শাহাদাৎ।

প্রসঙ্গত রূপান্তর খুলনা ও বাগেরহাট জেলার ১১ উপজেলার ৮৪টি ইউনিয়নে সুইস এজেন্সী ফর ডেভেলপমেন্ট এন্ড কো-অপরারেশনের সহযোগিতায় ও হেলভেটাস সুইস ইন্টারকোআপারেশনের তত্ত¡াবধানে অপরাজিতা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তারই ধারাবাহিকতায় জেলা পযায়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (জচঙ) ও নারীর ক্ষমতায়ন বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu