বৃহস্পতিবার, ০৪ মার্চ ২০২১, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ডুমুরিয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনকারীকে জরিমানা রূপসায় স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে পলাশ সভাপতি, মনিরুজ্জামান সম্পাদক, হায়দার কোষাধ্যক্ষ ডুমুরিয়ায় যুব উন্নয়ন দপ্তর আয়োজনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও ঋণের চেক বিতরণ ডুমুরিয়ায় গাঁজাসহ মাদক ব্যাবসায়ী ও পরোয়ানাভূক্ত আসামী গ্রেপ্তার -৮ নগরীতে নারী নির্যাতন এবং বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ প্লাটফর্ম সদস্যদের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ খুলনার দিঘলিয়ায় শিশু তামিম মোল্লা হত্যার ঘটনায় ২জন আটকঃ৭দিনের রিমান্ডের আবেদন পাইকগাছায় গেটের পাট ভেঙ্গে লবণ পানিতে এলাকা প্লাবিত : বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি কর্মতৎপরতা ও দক্ষতার জন্য জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যানের পুরস্কার পেলেন পাইকগাছার কওসার ও রিপন বর্তমান সরকার জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রেখেছে- রূপসায় এ্যাড. সুজিত ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনায় বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কিত হলেন পাইকগাছার ইউএনও

ভাল থাকিস

লায়লা ফাতেমা সুমী
  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৩৮ জন সংবাদটি পড়েছেন
– হ্যালো,,,
— হ্যা, হ্যালো কেমন আছিস?
হঠাৎ বুকের ভেতরটা কেমন একটা ধুকপুক করে উঠলো কথাটি শুনে।
— কে আপনি?
— আরে বাপরে এতো ভদ্র হলি কবে থেকে? একেবারে, আপনি?
— সত্যি চিনতে পারছি না
— বুকে হাত দিয়ে বলতো, সত্যিই কি চিনিস নি?
—- অনির্বাণ!
— এই তো চিনেছিস,তাহলে বললি কেন চিনতে পারিসনি?
ওকে আর বলা হলো না,মেয়েদের অনেক কথা মনে থাকলেও মুখে আনতে নেই।
— তারপর বল কেমন আছিস, কেমন চলছে তোর সংসার জীবন?
— হুম,চলছে। তুই কেমন আছিস?
— কতোটা ফর্মাল হয়ে গেছিস রে রজনী। কলেজের সেই ডানপিটে রজনী, সে এখন কতো শান্ত স্বরে কথা বলে,ভদ্রতার ব্যাপারে কতোটা সজাগ।
— কেন আমি বুঝি তখন খুব অসভ্য ছিলাম?
— উমম তা নয়রে,তবে অতি পরিচিত বিষয়গুলোতে একটু ছেদ পড়লে অচেনা মনে হয় সব কিছু!রজনী?
—- বল!
— সেই অভ্যাসটা আছে তোর,আচ্ছা এখনো লিখিস?
বলা হলো না সময়ের ব্যবধানে অনেক অভ্যাসকে বিসর্জন দিতে হয়,এটা তো মেয়েলোকের জীবন।
— সেসব বাদ দে,তোর খবর বল।কোথায় আছিস?
— নম্বর দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছিস এটা বাইরের।
— হুম,তাতো পারছি।কিন্তু কোথাকার?
— সাউথ কোরিয়া।
— ওহ্। বিদেশ বিভুইয়ে হলি অবশেষে?
— হুম,হতেই হলো।রজনী?
— কি
— তোর বর কি করে? সন্তান কটি?
— ব্যবসা,একটি সন্তান।তোর খবর বল!
— আমি? এইতো কেটে যাচ্ছে বিদেশের বুকে।সারাদিন খাটুনির পর
রাতে এসে রান্নাবান্না আর পিছনের স্মৃতিরোমন্থন।
— তুই তো খুব বড় ডাক্তাররে অনি,এখনো একটা বৌ জোটাতে পারলি না?
— তা আর পারলাম কোই,পেলাম নাতো মনের মতো।কিরে বললি না এখনো লেখালেখি করিস?
— তেমন করে আর লিখলাম কোথায়?
— কি বলছিস তুই রজনী,কতো ভালো লিখতিস। আর বলছিস তেমন করে?
— হুম,লিখি মাঝে মধ্যে। তবে পেশা বা নেশা করতে পারিনি।
— রজনী তোর বর জানে তুই যে লেখালেখি করতিস? কলেজের বিভাগীয় পর্যায়ে তোর লেখা সেরা হয়েছিল।কতো আনন্দ তোকে ঘিরে কলেজ কর্তৃপক্ষ সহ আমাদের।
পরপর দু’বছর তুই প্রথম হয়ে এনে দিলি কলেজে সুনাম।এসবের জন্য তুই হয়ে উঠলি সকলের মধ্যমণি।
— দূর দূর,কি আর লিখতাম।ওসব আমি ভুলে গেছি।এই ভালো আছি স্বামী, সন্তান, সংসার।
সংসারের যাঁতাকলে কখন সেসব ভালোলাগা ভালোবাসার কবর হয়ে গেছে
সেকথা নিজেই জানিনা।কিন্তু তোকে বলতে পারবো না অনি।আমি জানি তুই ভীষণ আঘাত পাবি,এসব আমার একান্ত কথা।আমার থাক।
— কি বলিস রজনী, ভূতের মুখে রামনাম। তুই আর সংসার?
রান্না জানিস তো?সেবার নুডলস রান্না করে খাইয়েছিলি,মনে আছে তোর?
— তুই ভীষণ দুষ্টুরে অনি,সকলে চিৎকার শুরু করেছিল
আর তুই গোগ্রাসে খাচ্ছিলি।ওদের মুখের অবয়ব দেখে
অবশেষে নিজে মুখে দিয়ে দেখি,ছিঃ
কি বিশ্রী খেতে।নুন আর ঝালে একাকার।একবারও বললি না কথাটা,আমি কেড়ে নিয়েছিলাম বলে
নইলে সবটাই খেতিস।আচ্ছা অনি,ওরকম পাগলামি করার কি খুব দরকার ছিল সেদিন?
— কিরকম পাগলামি? কতো ভালোবেসে কষ্ট করে রান্না করেছিলি
আর ভালো হয়নি বলে রেখে দেবো? তুই কষ্ট পেতিস না?সে যাইহোক, এখন নিশ্চয়ই তুই রান্না শিখে গেছিস?তোর বর নিশ্চয়ই ভীষণ প্রশংসা করে?
মনে মনে বললাম হ্যা,ভীষণ প্রশংসা করে। একটু ত্রুটি হলেই যাচ্ছেতাই ব্যবহার।খাবার প্লেট টেবিলের সীমানা পার হয়ে মেঝেতে গিয়ে ঝনঝন শব্দে নাচতে নাচতে থেমে যায়।অনেক কথাই মুখে বলা হয় নারে অনি।
— হ্যা,খুব প্রশংসা করে।
— তোর লেখাগুলি পড়ে? কি দারুণ সব লেখা তোর।আমি শিওর ওগুলো পড়ে তোকে মাথায় তুলে রাখে?
জীবনে কখনো পড়া তো দূরের কথা, ওটা নিয়ে আলাপও করে না,সেধে বললেও
অন্য প্রসঙ্গে কথা তুলে
আমার কথাটাকে ছাঁই চাপা দিয়ে দেয়।আমার অন্তরের আকুতি,হৃদয়ের ব্যকুলতা
আমার স্বপ্ন, আমার চাওয়া পাওয়ার নদীতে জোয়ার ভাটি একাই এসে একাই চলে যায়।তার খোঁজ কেউ কখনো রাখেনারে অনি।তোর মতো করে কেউ বলেনি।
মেয়েদের জীবনের চাওয়া পাওয়া বেশি নয়রে অনি
শুধু একটু খেয়াল,একটু প্রশংসা আর একটু ভালোবাসা।
ব্যাস,আর কি চাই?
তার একটাই কথা, এসব লিখে কি হবে?
জীবনে বড় কিছু হতে পারবে?মেয়েদের এতো বাড়বাড়ন্ত হতে নেই।সব খানেই শুধু এটা হতে নেই,ওটা করতে নেই।খালি নেই আর নেই।
— হ্যা,পড়ে।
— কি বলেরে তোর সাহেব?তোর বই লেখার স্বপ্নটা পূরণ করেছে নিশ্চয়ই?
স্বপ্ন স্বপ্নই হয়,পূরণ হয় ক’জনার? খালি স্বপ্ন দেখাই সারা।
— আসলে সেভাবে তো লিখিনা রে,বই আকারে করা হয়নি,লিখলে নিশ্চয়ই আমার স্বপ্ন সে পূরণ করবে।
— তোর জন্মদিন, তোদের বিবাহবার্ষিকী, বছরের বিশেষ বিশেষ দিনে তোকে নিয়ে বুঝি খুব বাড়াবাড়ি করে?
আজ অবধি একটা দিনেও সে আমায় মিথ্যে করে হলেও কখনো শুভেচ্ছা জানায়নি।তার ওসব ভান বলে মনে হয়।ছেলেমি বলে মনে হয়।
— আর বলিস না,ঐসব দিনগুলোতে আমাকে ফুলে ফুলে ভরে দেয়।
— তোর পছন্দের হলুদ গোলাপ নিশ্চয়ই থাকে?
— সে আর বলতে হয়?
— তোর স্বামী ভদ্রলোক যে খুব ভালো তা বুঝতেই পারছি,তোর কথা শুনে।খুব কেয়ার করে তোকে।
— হুম,একদম আমার মনের মতো।
প্রতি রাতে কেবল প্রয়োজনেই আমাকে লাগে।প্রয়োজন শেষ তো
মুখ ঘুরিয়ে সরে শুয়ে থাকে।কখনো মনে পড়ে না
আমার একাকিত্ম বোধের সময়ে তার বুকে আমার মাথাটা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমিয়েছি।কিংবা আমার কোনো কাজের গুণগান শুনেছি।আমার জীবন যে চারদেয়ালে বন্দীরে অনি।এখান থেকে আমার মুক্তি নেই,আমার মুক্তি কেবল মৃত্যুতে।
— বাহ্,তাহলে তো তুই পরিপূর্ণ সুখী। তাইতো রজনী?
— পরিপূর্ণ কখনো সুখী হতে নেইরে অনি
তাহলে সুখের মজা অনুভব করা যায় না,একটু খামতি থাকা ভালো।কিন্তু আমি পরিপূর্ণ সুখী
অসুখী বলে যে একটা শব্দ আছে পৃথিবীতে
আমি তা জানিই না।
— তোর বাচ্চাটা কেমন হয়েছে?
— সন্তান! হ্যা একদম আমার মনের মতো।
কেবল আমার খুঁত গুলোই খুঁজে বের করে বাবা দাদি ফুফুর মতো।আমি যে জন্ম দিয়েছি,সংসারে রাতদিন খেটে মরছি
একমাত্র আমি তাদের সকলের কথা ভাবছি।
আমার কথা কেউ ভাবে না।আমার ভালো লাগা মন্দ লাগা বলে যে পৃথিবীতে একটা পদার্থ আছে
সেদিকে কারো ভ্রুক্ষেপই নেই।এই জীবনটা আমার,এখানে কাউকে ভাগ দেবার অধিকারও আমার নেই।
—- তুই সত্যিই ভালো আছিস, এটা জানলে আমিও খুশি হতাম রে রজনী, কিন্তু তোর প্রত্যেকটা কথার আগে তোর বুক চাপা দীর্ঘশ্বাস বলে দিচ্ছে তুই ভালো নেই।একজীবনে তুই আর কিছু পারিস আর না পারিস
ভীষণ ভালো অভিনয় শিখেছিস।আজ একটা কথা না জিগ্যেস করে থাকতে পারছি না রজনী
— কী?
— মানুষের জীবনে কেবল ধর্মটাকি সব?
ভালোবাসা,বন্ধুত্ব,কেয়ার,মায়া-মমতার কি কোনো দাম নেই?
—- জানিনা।
— তুই সব জানিস,কেবল লুকিয়ে যাবার অভিনয়টা করে গেলি
সেই কলেজ জীবন থেকে, আর আজ অবধি। তুই ভালো নেই রজনী।
— কে বললো তোকে?এতো বছর পর ফোন করে
যোজন যোজন দূরে বসে তুই বলে দিলি আমি ভালো নেই,এটা আমি মানবো কেন?
— কাউকে বুঝতে,জানতে কাছে থাকার প্রয়োজন হয় না
বুঝার ইচ্ছে থাকলেই বুঝা যায়।
— তুই আজও আমায় দোষারোপ করিস অনি?
কিন্তু একবার ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখিস,আমার কি কিছু করার ছিল?
সবে মাত্র কলেজ জীবনে পা দেয়া দুটি ছেলেমেয়ে কখনো জীবনের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারতো সেদিন?তাছাড়া ছেলেদের আর মেয়েদের পৃথিবীতে অনেক অনেক বিভেদ। মুখেই কেবল একই অধিকারের কথা, আসল বেলাতেই দেখা যায়
কার কতোটা যোগ্য প্রাপ্তি।
তবুও বলবো, ভালো হয়েছে সেদিন কোনো ভুল পদক্ষেপ নেইনি বলে।
নয়তো তোর ভবিষ্যতটা শেষ হয়ে যেতো অনি।
— শোন রজনী, জীবনের এতোগুলো বছর পর এসে একটা কথা আমি বুঝেছি
যার যেটা পাওনা সে সেটি পাবেই।কেউ তা রোধ করতে পারবে না।আমার ভাগ্যে যা ঈশ্বর নির্ধারণ করেছেন তা আমি পাবোই।
— নারে অনি,চেষ্টারও একটা কথা থেকে যায়।শুধু ভাগ্যের উপর নির্ভর করে কখনো জীবনের পথে এগিয়ে যাওয়া যায় না।
যাক,তুই যে ভালো আছিস এটা জেনেই আনন্দ পাচ্ছি। এতোগুলো বছর পর বুকের ভেতরের একটা চাপা অপরাধ থেকে আজ মুক্তি পেলাম।তাতে তুই আমাকে লাখো অভিশাপ দে,ক্ষতি নেই।
যদিও জানি,অভিশাপ তুই কোনদিনই দিবি না।
— তুই এভাবে বলছিস কেন রজনী?
সেদিন তো ময়দান ছেড়ে আমি পালিয়ে ছিলাম,তুই নোস।তাহলে লাজুকতা,অপরাধ বোধ তোর হবে কেন? আজ বুঝতে পারি জানিস
তোর হাতে কিছু করার ছিল না,তুই সেদিন কেবল আমার ভবিষ্যতের চিন্তায় উদ্বিগ্ন ছিলিস।আমি ভীষণভাবে ক্ষেপে গিয়েছিলাম তোর প্রতি।রাগ করে কলেজ ছেড়ে সকলকে ছেড়ে অনেক অনেক দূরে চলে গিয়েছিলাম। কিন্তু যতোদূরেই আসি না কেন?
অতীত আজও একমুহূর্তের জন্য পিছু ছাড়েনি।
— বাদ দে ওসব কথা অনি, আচ্ছা তুই আমার নম্বর কোথায় পেলি?
—- রূপের সাথে দেখা,ও এখানেই আছে বরের সাথে
ওই যোগাড় করে দিয়েছে।
— আরে বাহ্ যাক
অন্তত একজন পরিচিত কেউ তোর কাছাকাছি আছে।অন্তত মাসে একবার দেখা হলেও
মনটা দেশের ছবি আঁকবে হৃদয় ক্যানভাসে।কি বলিস?
— হুম,তা যা,বলেছিস। তোকে একটা অনুরোধ করি রজনী?
— বল
— লেখাটা ছাড়িস না,আর সেই বই সংগ্রহের শখ এখনো আছে?
— নাহ্! আমি এখন আর বই পড়িনারে অনি।
— জানিস রজনী, আমার বিশাল একটা সংগ্রহশালা আছে বইএর।
— ওমা,তোর এই শখটা কবে থেকে হলো?
— যেদিন থেকে তোকে ছাড়লাম।
চোখের নিচ বেয়ে পানি পড়তে লাগলো নিঃশব্দে,
জীবনের অনেক শখই কখনো না কখনো জলাঞ্জলি দিতে হয়।পরিস্থিতির চাপে কিংবা অন্য কোনো কারণে।
— খুব ভালো অভ্যাস
— এতো বই, কত-শত লেখকের বই।তুই ভাবতেও পারবি না রজনী। তবে একটা বইএর জন্য আমার হৃদয়টা তোলপাড় করে জানিস রজনী?
— কোন বই,কার লেখা?
— তোর!
নিজেকে ঠিক রাখতে কষ্ট হচ্ছে, তবু এতো বছরের জমে থাকা কথা
কখনো ভাগ করে না নেবার কষ্টগুলো আজ দরদর করে গলে জল হয়ে বেয়ে নামছে হৃদয়ের কার্নিশ দিয়ে।
— অনি!
— কি?
— তুই এবার তাহলে নিজের জীবনটা গুছিয়ে নে,আর কতো?
— গুছিয়ে নেবার মতো কি বাকী আছে
সারাদিন হাসপাতাল আর রুগীদের জন্য সময় দিয়ে নিজের জন্য যেটুকু থাকে
তাতে আমার ক্ষুদ্র লাইব্রেরির করিডোরে বসে বইয়ের আস্বাদন নিতে নিতে ইজি চেয়ারেই রাত পার হয়ে যায়
এই বেশ আছি।
— তাহলে তুই যে বললি আমি ভালো নেই।
তুই নিজেও তো ভালো নেই অনি।
ঐ যে বললাম একজীবনে পরিপূর্ণ হতে নেই
তাহলে সুখের সুন্দর বোধটুকু পাওয়া হয় না।
— ভালো থাকিস রজনী, হাসপাতাল থেকে ম্যাসেজ এসেছে জরুরি। আর একটা অনুরোধ
লেখালেখিটা একদম বন্ধ করে দিস না
ওটাই তো তোর একমাত্র স্বপ্ন ছিল,স্বপ্নটা নষ্ট হতে দিস না প্লিজ।
আর কিছু বলার আগেই লাইনটা কেটে গেলো।কেটে গেলো নাকি কান্না লুকোতে অনি লাইনটা কেটে দিলো।যাইহোক,একটাই কামনা ও ভালো থাকুক।
কোথায় যেন দূরে গান বাজছে
আমি কান পেতে শুনছি
আমার মুক্তি আলোয় আলোয় এই আকাশে
আমার মুক্তি ধূলায় ধূলায় ঘাসে ঘাসে
বলা হলো না অনি,তুই ভালো থাকিস আমায় ভুলে
জানি বললেও শুনবি না।
তবু ভদ্রতা করে বলা আর হলো না।।
ভাল থাকিস…………….

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu