মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন

এজিএম অঞ্জন কুমার সরকার এর কর্ম দক্ষতায় রূপসা পল্লী বিদ্যুত অফিস এখন দুর্নীতিমুক্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম রবিবার, ১৬ মে, ২০২১
  • ৭৮৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন রূপসা উপজেলা পল্লী বিদ্যুত সমিতির গ্রাহক সেবায় অনেকটা স্বস্থি ফিরেছে। এজিএম অঞ্জন কুমার সরকার এর কর্মদক্ষতা ও সততায় রূপসা  পল্লী বিদ্যুৎ অফিস এখন দুর্নীতিমুক্ত হয়েছে বলে গ্রাহকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তার কর্মদক্ষতা ও সততার সুফল ভোগ করতে শুরু করেছে এলাকায় সাধারণ মানুষ।  এখন পূর্বের ন্যায় ভোগান্তি পোহাতে হয় না গ্রাহকদের। বিদ্যুৎ চোর ও অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দুস্কৃতিকারীদের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক তিনি। বিদ্যুত কর্মীদের দিয়ে অভিযান চালান অবৈধ সংযোগকারীদের বিরুদ্ধে। অবৈধ সংযোগকারী ও বিদ্যুত চোরদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে এবং অফিসটি দালাল মুক্ত করতে গিয়ে দুস্কৃতিকারীদের বিরাগভাজন হয়েছেনও তিনি। এরপরও সততার সাথে দায়িত্ব পালন থেকে পিছপা হননি তিনি। অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বিদ্যুৎ চুরি চক্রের বিরাগভাজনও হতে হয়েছে তাকে।

সবচে বড় বিষয় হচ্ছে এবারের শীত মৌসুমে ব্যাডমিন্টন খেলার সময় তরুণ-কিশোর ও ছাত্ররা অবাধে বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ চালাতে পারেননি। থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে তিনি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবৈধ বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছেন। যার ফলে বড়ধরণের দুর্ঘটনা এবং বিদ্যুত চুরি থেকে রক্ষা পেয়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। তিনি যোগদানের পর থেকে ৭ দিনের মধ্যে আবাসিক মিটার সংযোগ এবং ১৮ দিনের মধ্যে শিল্প মিটার সংযোগ নিশ্চিত করেছেন। এর জন্য গ্রাহকদের গুণতে হয় না অতিরিক্ত অর্থ।

একসময়ের ঘুষের হাটে তিনি যখন ঘুষ লেনদেন বন্ধ করে দেন, তখনই এক শ্রেণির দালাল চক্রের শক্রতে পরিণত হন তিনি। এজিএম অঞ্জন কুমার সরকার দাবি করেন,যাবতীয় শর্তাবলী মানা হলে নিয়ম মেনে বিদ্যুত সংযোগ প্রদান করা হয়। আইন মেনে ভ্রাম্যমান আদালত বিদ্যুত চোরদের জরিমানা করে বা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কারো উপর অন্যায় বিচার করেন না।

উপজেলায় ২৫ হাজার আবাসিক ও প্রায় ২০০’শ শিল্প মিটারের গ্রাহক রয়েছে। পল­ী বিদ্যুত সমিতি তথা সরকারি বিধি মোতাবেক নিরবিচ্ছন্ন বিদ্যুত সরবরাহ করা হয় গ্রাহকদের মাঝে। জাতীয় গ্রীড তথা যান্ত্রিক ক্রটির কারণে কখনো লোডশেডিং অথবা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে পূর্বেই প্রচারণা করা সম্ভব হয় না।পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ফেইস বুক পেইজে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে গ্রাহকদের অবগত করা হয়। এছাড়াও গণমাধ্যম কর্মীদেরকেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য তথ্য সরবরাহ করা হয়।

তিনি যোগদানের পর থেকে রূপসা একটি বিদ্যুত উপকেন্দ্র নির্মাণ করার ব্যবস্থা হচ্ছে। এর সুফল পাবেন সাধারণ গ্রাহকরা। গ্রাহকদের তাৎক্ষণিক সেবার জন্য একটি টিম সদা প্রস্তুত রেখেছেন তিনি।

২০১৯ সালের ১লা ডিসেম্বর মাসে তিনি রূপসা উপজেলায় যোগদান করেন। তার যোগদানের পর থেকে ওই অফিসে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। প্রাণ ফিরে পেয়েছে রূপসা পল্লী বিদ্যুত অফিস। পল্লী বিদ্যুত সমিতির সদস্য আরিফ মোল্লা জানান, বর্তমান এজিএম অঞ্জন কুমার সরকার এর কর্ম তৎপরতায় রূপসাবাসী হয়রানি থেকে পরিত্রাণ পেয়েছে। রূপসাতে তার মত কর্মকর্তার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি তার অফিসে দুর্নীতি প্রমাণের জন্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে সোনালী স্বপ্নকে জানান- পল্লী বিদ্যুত সমিতির কতিপয় সদস্যের অনৈতিক আবদারের কাছে মাথা নত না করায় অনেক সময় তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হয় বলে দাবি করেন।

রামনগর-রহিম নগর গ্রামের কতিপয় গ্রাহক এই প্রতিনিধিকে জানান- বিদ্যুতের প্রধান লাইন থেকে যদি কেউ বিদ্যুৎ চুরি করে ব্যবহার করে তাহলে এর ক্ষতি রূপসা উপজেলার সকল গ্রাহকদের উপর পড়ে। এ বিদ্যুৎ চুরি বন্ধ করেছেন বর্তমান এজিএম। আমরা তার কর্মকান্ডকে স্বাগত জানাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu