শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

নোয়াখালীতে মূল সড়কে মানুষ কম, আনাগোনা বেশি অলিগলিতে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ৬০ জন সংবাদটি পড়েছেন
নোয়াখালী প্রতিনিধি শাহাদাৎ বাবুঃ। চলমান বিধিনিষেধে নোয়াখালী জেলার মূল সড়কে তুলনামূলক কম মানুষ দেখা গেলেও অলিগলিতে আনাগোনা বেশ বেড়েছে। দিন যত যাচ্ছে এ জায়গাগুলোতে মানুষের আড্ডা তত বাড়ছে। বিধিনিষেধের শুরুতে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় বেশ কড়াকড়ি দেখা গেলেও ক্রমেই শিথিলতা তৈরি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সকালে কঠোর লকডাউনের সপ্তম দিনে এমন চিত্র দেখা গেছে নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন উপজেলা শহরগুলোসহ মাইজদী, দত্তের হাট, সোনাপুর, মাইজদী বাজার, চৌমুহনী, কবিরহাট, সোনাইমুড়ি সহ বিভিন্ন এলাকায়। এসব এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মেইন রোডে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে এবং অযাচিত চলাচল রোধে পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা থাকলেও অলিগলিতে সেলুন, চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন সামগ্রীর দোকান খুলতে শুরু করেছে। সেখানে মানুষের আনাগোনাও বেশ।

বিধিনিষেধে যেসব দোকানপাট বন্ধ থাকার কথা ছিল অলিগলিতে সেগুলো খোলা। মাঝে মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হলেও তারা ফিরে গেলে আবারও খোলা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অলিগলির কিছু স্থানে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতারা মোটামুটি বাজার সাজিয়ে বসেছেন। সেখানে লোকজনের আনাগোনাও প্রচুর। ভিড় করেই অনেকে কিনছেন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র। স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে বাধছেন জটলা। নোয়াখালী জেলার মাইজদী এলাকার প্রধান সড়কগুলোতে সবচেয়ে বেশি চলছে রিকশা। পাশাপাশি প্রাইভেটকারের সংখ্যাও বেশ তবে বড় গাড়ি দেখা যায়নি।

পুলিশের চেকপোস্টগুলোতে কিছু কিছু প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও সিএনজি থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দেখা গেছে। তবে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় কাউকে জরিমানা অথবা ফিরিয়ে দেয়ার মতো ঘটনা লক্ষ্য করা যায়নি। এদিকে রিকশাযাত্রীদের সেরকম জিজ্ঞাসার মুখেও পড়তে হচ্ছে কম। এজন্য নোয়াখালী শহর যেন রিকশার দখলে চলছে।

রিকশা নিয়ে বাধার মুখে পড়েছেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে মনির হোসেন নামে এক রিকশাচালক বলেন, ‘আমাদের কে পুলিশ কিছু বলবে না। ঝামেলা ছাড়াই চালিয়ে যাই। মাঝে মাঝে ধরে, জিজ্ঞেস করে ছেড়ে দেয়।’ শহরের বিভিন্ন মোড়ে মেইন রাস্তায় যতটুকু ভিড়, তার থেকেও বেশি ভিড় অলিগলির রাস্তাগুলো। সেসব গলিতে জটলা পাকিয়ে মানুষকে আড্ডা দিতে দেখা গেছে। চায়ের দোকান ও খাবার হোটেলেও বেড়েছে ভিড়। খাবার পার্সেলে বিক্রির কথা থাকলেও অনেক হোটেলে ক্রেতাদের বসিয়ে খেতে দেখা গেছে।

গলিতে বেশ কিছু দোকানে শাটার নামিয়ে বা অর্ধেক খোলা রেখে ভেতরে কাজ চলছিল। দোকান খোলার বিষয়ে জানতে চাইলে কসমেটিকস দোকানের একজন কর্মী বললেন, ‘একটা বিয়ের সাজানো সামগ্রী নিতে হবে, সেই কারণে একটু খুলছি। এখনই বন্ধ করে দেব।’

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu