শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক  শিক্ষা অফিসের দূর্নীতির  খবর প্রকাশ হওয়ায় নড়ে বসেছে শিক্ষা অফিস

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম সোমবার, ৩০ আগস্ট, ২০২১
  • ৫২ জন সংবাদটি পড়েছেন
রাকিবুল হাসান শ‍্যামনগরঃ শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস এখন দুর্নীতির শীর্ষে এমন সংবাদ বিভিন্ন পএ পএিকায় অনলাইন ও সামজিক যোগাযোগ মাধ‍্যমে প্রকাশিত হলে নড়ে চড়ে বসেছে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা। তারা বিষয়টিকে ধামাচাপা দিতে বিভিন্ন মহলে দৌড়-ঝাপ শুরু করেছে।

শ্যামনগর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে যে কোন কাজ করতে গেলে উৎকোচ দিতে হয় বলে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে। সরকারি জরিপের তথ্য জমা, বই বিতরণ, নির্বাচনের ডিউটি তালিকায় নাম অন্তর্ভ‚ক্তি, শিক্ষক প্রশিক্ষণের তালিকা পাঠোনো, নতুন এম,পি,ও ভুক্তির ফাইল পাঠানো, উচ্চতর স্কেলের ফাইল পাঠানোসহ সকল কাজের জন্য অত্র শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগ প্রকাশিত হয়। চাকুরীতে ঝামেলা সৃষ্টির ভয়ে শিক্ষকরা এ সমস্ত তথ্য প্রকাশ করতে চান না।

শ্যামনগর উপজেলাধীন সুন্দরবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নিম্নমান সহকারী-কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ তৌহিদুর রহমান এ প্রতিবেদক-কে জানান গত ১৪ আগষ্ট ২০২১ তারিখে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী খলিলুর রহমানের ব্যবহৃত ০১৭১৬১৪৮৭৪১নং মুঠোফোন থেকে তার ০১৭৪০৬১৭২৯২ নম্বরে কল করে বলেন, “আপনার উচ্চতর স্কেলের ফাইল জেলা শিক্ষা অফিসে অনলাইনে সেন্ট করবো উপজেলা মাধ্যমিক স্যার আপনাকে খরচ দিতে বলেছে। খরচ দিলেই ফাইল সেন্ট করবো। আমি খরচের কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আপনি একটা হিসাব মত দেন। আমি তাকে ২ হাজার টাকা খরচ দিতে চাইলে তিনি বলেন, অত কম টাকায় হবে না। এরপর আমি ৩ হাজার টাকা দিতে চাইলে তিনি বলেন, আর একটু বাড়িয়ে দেন।” তিনি তার মুঠোফোন থেকে তৌহিদুর রহমান-কে ০১৯২৪৩৯৪৯৯৭ নম্বর বিকাশ-এ টাকা দিতে বলেন। তিনি উক্ত বিকাশ নম্বরে সন্ধ্যা ৬.৩৬ মিনিটে =৪০৮০/- টাকা পেমেন্ট করেন। খলিলুর রহমান উক্ত টাকা পেয়ে তার ফাইল সেন্ট করেছেন বলে তাকে জানান।

উল্লেখ্য, উক্ত খলিলুর রহমান মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা-তে চাকুরী করা অবস্থায় ২০১০ সালে তৌহিদুর রহমানের এম,পি,ও ভ‚ক্তির ফাইল বেতন করিয়ে দেবেন বলে তার পিতার নিকট থেকে ৪ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়েছিলেন। কিন্তুু, তিনি কোন কাজ করেননি এবং টাকাও ফেরত দেননি। তার কাছে উক্ত টাকার কথা বললে তিনি বলেন স্কেল পরিবর্তনের সময় আপনার নিকট থেকে টাকা কম  নেব এর পরও বর্তমানে তার নিকট থেকে ৪ হাজার টাকা নিয়েছে।

টাকা নেওয়ার বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী  খলিলুর রহমানের কাছে ফোনে জানতে চাইলে তিনি রং নং বলে ফোন কেটে দেয় তবে  এছাড়া উক্ত খলিলুর রহমানের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। তার দাপটে উপজেলার সকল শিক্ষক কর্মচারীরা জিম্মি। বিষয়টি দুদকসহ উদ্ধর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষনসহ আশু উক্ত ঘটনার তদন্তসহ শাস্তি দাবি করছেন উক্ত তৌহিদুর রহমানসহ ভুক্তভোগী অনেকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu