রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারীরা পুনরায় সুন্দরবন প্রবেশে অভিনব কৌশল অবলম্বন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬৭ জন সংবাদটি পড়েছেন
রাকিবুল হাসানঃ সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরা জেলেরা সুন্দরবনে প্রবেশ করতে না পারায় নতুন কৌশল অবলম্বন করেছে। সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরে সুন্দরবনের জীব বৈচিত্রকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে। এতে করে ধংস্ব হচ্ছে সুন্দরবনের প্রাণী সম্পদ।
সাতক্ষীরা রেন্জের মুন্সীগঞ্জ মৌখালী গ্রামের কিছু অসাধু জেলেরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরে আসছিল।এ সকল জেলেরা কয়েক বার বনবিভাগের অপরাধ সহ ধরে মামলা দিয়ে  জেলে পাঠায়।জেল থেকে বের হয়ে আবার সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ মারা শুরু করে। বনবিভাগের পক্ষ থেকে তাদের  সনাক্ত করে। রিতি মত একটা তালিকাও তৈরি করে ১৮ জনের। বনবিভাগের পক্ষ থেকে পাশ বন্ধ করে। সুন্দরবনে প্রবেশ নিষেধ করে দেয়।

অসাধু বিষ প্রয়োগকারি জেলেরা সুন্দরবনের প্রবেশ করতে না পারায় ভিন্ন কৌশাল অবলম্বন করে।স্থানীয় কিছু সচেতন মানুষকে ভুল বুঝিয়ে। শ্যামনগর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হক দোলনের মাধ্যমে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলানো হয়।শর্তসাপেক্ষে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে । তাদের সুন্দরবনে প্রবেশের সুযোগ করে দেওয়ার।

গত সোমবার সন্ধ্যায় মুন্সীগঞ্জ বন টহল ফাঁড়িতে আয়োজন করা হয় আত্মসমর্পণের কাজ। উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল হক দোলন ও কদমতলা ষ্টেশন কর্মকর্তা কামরুল ইসলামের উপস্থিতে ১৫ জন জেলে হোসাইন পাগলা,মাছুম বিল্লাহ,শফিকুল,রবিউল,আজিবার,মোজাম,বাতেন, আবু সাঈদ শেখ,নবাব, ইয়ারাব,ছাকাত আলী,ছত্তার শেখ,আজিবর,ইউনুছ শেখ।

মাধ্যমে ২টা অবৈধ জাল দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন।তবে বনবিভাগের শর্ত অনুযায়ী আত্মসমর্পণ করেছে কি না।সেটা নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে আলোচনার ঝড় বয়েছে।প্রতি ৩ জনে ১ করে বিষ দেওয়া জাল দিয়ে মাছ ধরে থাকে সে অনুযায়ী ৫ টা জাল জমা দিতে হয়। তার মধ্যে একটি নতুন জাল কিনে দিয়েছে অন্যা আরেকটা হল পরিত্যক্ত জাল।কিন্তু কৌশাল অবিলম্ব করে দুইটা জাল দিয়ে আত্মসমর্পণ করে।  তথ্য অনুসন্ধানে জানাযায় বিষ প্রয়োগকারিরা যে জাল দিয়ে মাছ ধরে থাকে। সে জাল সুন্দরবনের নিদিষ্ট একটা স্থানে রেখে আসে।পরে বিষ নিয়ে প্রবেশ পর সেই জাল বের করে বিষ দিয়ে মাছ ধরে থাকে।
যে জাল দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছে তার মধ্যে একটি নতুন জাল কিনে দিয়েছে অন্য আরেকটা হল পরিত্যক্ত জাল। বনের ভিতরের জাল জমা না দিলে বিষ মুক্ত করা সম্ভাব হবে না।

স্থানীয় কয়েকজন জানান, এর আগে আমরা তাদেরকে নিয়ে একুই ভাবে বনবিভাগের কাছ থেকে মুচলিকা দিয়ে। সুন্দরবনে প্রবেশের সুযোগ করে দেয় কিন্তু তারা ভালো হয়নি।

এটা হল বিষ প্রয়োগকারি জেলেদের নাটক। তারা বনে প্রবেশ আবার বিষ দিয়ে মাছ ধরবে।এই যে কাজ হয়েছে এতে তাদের বিষ মারা আরো সুবিধা হবে।বনের বিতরে রেখে আসা জাল যদি জমা না দেয় তাহলে বিষ মারা বন্ধ হবে না। আত্মসমপর্ণের বিষয় সাতক্ষীরা রেন্জ কর্মকর্তা এমএ হাসান বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের অনুরোধে তাদের শর্ত অনুযায়ী প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। তবে যদি আবার কোন বন অপরাধের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া যায়। তাহলে তাদের আর সুন্দরবনে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu