রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম

সাতক্ষীরা খলিশখালী ১৩শ বিঘা জমি দখলের ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে আরেক মামলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬৯ জন সংবাদটি পড়েছেন
রাকিবুল হাসানঃসাতক্ষীরার দেবহাটায় ৪৩৯.২০ একর (১৩’শ ২০ বিঘা) বিলান জমি ও মৎস্য ঘের বিস্তৃত খলিশাখালি নামক গোটা এলাকা রাতের আঁধারে সন্ত্রাসী কায়দায় জবরদখল এবং লুটপাটের ঘটনায় ভূমিহীন নামধারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফায় দ্রুত বিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের হয়েছে।

সাতক্ষীরার দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক ও চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হুমায়ূন কবিরের নির্দেশে বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) দেবহাটা থানায় মামলাটি রূজু করা হয়। মামলা নং-১০।

খলিশাখালির বিস্তৃর্ন ওই ১৩’শ ২০ বিঘা জমি ও মৎস্য ঘেরে বোমাবাজি ও অবৈধ অস্ত্রের মহড়া দিয়ে জোরপূর্বক দখল ও লুটপাটের ঘটনায় সেখানকার ৩ শত বিঘা জমির মালিক শিমুলিয়া গ্রামের মৃত কাজী আব্দুল মালেকের পুত্র কাজী গোলাম ওয়ারেশ বাদী হয়ে সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরার বিজ্ঞ আমলী আদালত (৭)-এ দ্রুত বিচার আইনের ৪ ও ৫ ধারায় ওই মামলার এজাহার দাখিল করে।

বিচারক মো. হুমায়ূন কবির দেবহাটা থানায় মামলাটি এফআইআর হিসেবে গন্য করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ওসিকে নির্দেশ দেন।

দ্রুত বিচার আইনে দায়েরকৃত ওই মামলার আসামীরা হলেন, উপজেলার ঢেপুখালী গ্রামের মৃত বক্কার গাজীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৯), একই গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে ডাকাতি সহ বহু মামলার পলাতক আসামী আকরাম হোসেন ওরফে আকরাম ডাকাত (৪২), খলিশাখালির শাহজানের ছেলে চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলার আসামী রবিউল ইসলাম (৩৪), নোড়ারচকের মৃত মোহর আলীর ছেলে চাঁদাবাজি সহ একাধিক মামলার আসামী ইশাদ আলী (৪৫), কালীগঞ্জের পশ্চিম পাইকাড়া গ্রামের মৃত আহম্মদ পাড়ের ছেলে অহিদুল ইসলাম, খলিশাখালির দেরাজতুল্যাহর ছেলে বাবুল ওরফে বাবলু (৩৩), একই গ্রামের মৃত মফেজ ঢালীর ছেলে পৃথক দুটি চাঁদাবাজি মামলার আসামী গোলাপ ঢালী (৪৫), চালতেতলা গ্রামের জিয়াদ ঢালীর ছেলে সাইফুল ইসলাম, একই গ্রামের নওশেদ হালদারের ছেলে নূর আলী ও চাঁদপুর গ্রামের মৃত বিজয় স্বর্ণকারের ছেলে সুনীল স্বর্ণকার।

খলিশাখালির ওই বিস্তৃর্ন জমি ও মৎস্যঘেরের মধ্যে ৩শত বিঘা পৈত্রিক সম্পত্তি হিসেবে উল্লেখ করে বাদী গোলাম ওয়ারেশ লিখিত এজাহারে বলেছেন, ১৯৫৩ সাল থেকে তার পরিবার খলিশাখালির ওই জমি ভোগদখল করে আসছেন তার পরিবার।

পিতা আব্দুল মালেক এর মৃত্যুর পর গোলাম ওয়ারেশ ও তার অপরাপর ভাই-বোনেরা সেখানে শান্তিপূর্ন ভাবে নানা প্রজাতির মাছ চাষ করতেন। মৎস্য ঘেরের জন্য সেখানে কংক্রিটের নির্মিত একটি পাকা বাসা, গরু-ছাগল ও কবুতরের খামার এবং ঘেরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ২৫টি বাসা নির্মান করেন তারা। এসব বাসায় রাত্রিকালীন সময়ে পৃথক পৃথক কর্মচারী মৎস্য ঘেরের পাহারার কাজে নিয়োজিত ছিল।

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu