বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ডুমুরিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ২০ পিচ ইয়াবাসহ আটক-১ সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাথে বুড়িগোয়ালীনির নৌকার মাঝি ভবতোষ কুমারের সাথে মতবিনিময় সভা ভারতের নদীয়ায় মটর রেসিংয়ে খুলনার ছেলে সম্রাটের কৃতিত্ব ডুমুরিয়া সদরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু পাইকগাছায় বিরোধপূর্ণ লিজ ঘের আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত উকিল কমিশনের সরেজমিনে তদন্ত  ডুমুরিয়ায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় এক বৃদ্ধ আহত গোয়ালন্দে শ্বশুরবাড়িতে জামাইয়ের আত্মহত্যার অভিযোগ নববধূকে নিয়ে ফেরার পথে মাইক্রোবাস থেকে লাফ দিয়ে বরের আত্মহত্যা পীরগঞ্জে নির্বাচনি সহিংসতায় মৃত্যু- ৩ রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজান চেয়ারম্যান নির্বাচিত

খুলনার পাইকগাছায় ২৫০ কিঃ মিঃ মধ্যে ১৫৮ কিঃ  মিঃ বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ৬০ জন সংবাদটি পড়েছেন
মোঃ আসাদুল ইসলামঃ একদিকে নদ-নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে আসছে অন্যদিকে বাড়ছে অতিরিক্ত পানি চাপে   ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে নির্মিত বাঁধ। বর্তমানে এ তিন কারণে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলাবাসীর। এলাকার ৬টি পোল্ডারে ১৫৮ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ রয়েছে। এ কারণে প্লাবনের শঙ্কায় রয়েছেন স্থানীয়রা। দক্ষিণের এই জনপদের মানুষকে বাঁচাতে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি দীর্ঘদিনের। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা।
পাইকগাছায় পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়,৬টি পোল্ডারে ২৫০ কিলোমিটার ওয়াপদা বাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে ১৫৮ কিলোমিটার বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ। বাঁধের বর্তমান পরিস্থিতি জানতে চাইলে পাইকগাছা উপসহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী রাজু আহম্মদ বলেন, উপজেলার ১০ / ১২ নম্বর পোল্ডারে ৪০ কিমি, ১৬ নম্বরে ৩৮ কিমি, ১৮ / ১৯ নম্বরে ২৫.৮ কিমি, ২৩ নম্বরে ২৬ কিমি, ২১ নম্বরে ১৬ কিমি এবং ২২ নম্বর পোল্ডারে ১৩ কিমি বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে।
সুন্দরবনের কোলঘেঁষা দক্ষিণ উপকূলবর্তী জনপদ পাইকগাছা। জলবায়ু পরিবর্তন ও ভৌগোলিক কারণে দুর্যোগের শিকার এ অঞ্চলের মানুষ। বিশেষ করে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়িবাঁধ এলাকার মানুষের চরম বিপর্যয়ের মুখে ফেলে দিচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদা বাঁধে নিয়মিত মাটির কাজ না হওয়ায় বাঁধের বেশির ভাগ ধসে গেছে। বর্তমানে নাজুক আকার ধারণ করেছে ষাটের দশকের এ বাঁধটি।
এর আগে ২০০৭ সালের সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় সিডর, ২০০৯ সালে সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় আইলাসহ ফণী, বুলবুলের জলোচ্ছ্বাসে গদাইপুর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া, সোলাদানা ইউনিয়নের হাঁড়িভাঙা, হরিখালী, পাটকেলপোতা, দ্বীপবেষ্টিত দেলুটি ইউনিয়নের গেওবুনিয়া, দারুণ মল্লিক, দেলুটি, কালীনগর, লতা ইউনিয়নের লতা বাজার, গড়ই খালী ইউনিয়নের খুদখালী ও শান্তায় ওয়াপদা বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়। নষ্ট হয় কোটি কোটি টাকার মৎস্য ও জমির ফসল। বন্যা, জলোচ্ছ্বাসের পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
তিনি আরও বলেন, নদীর তলদেশ ভরাট হওয়ার সঙ্গে পানি উন্নয়ন বোর্ড যদি ওয়াপদা বাঁধ উঁচু করা হতো, তাহলে পানি লোকালয়ের পোল্ডারে ঢুকতে পারত না।
এ বিষয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, ওয়াপদা বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ পোল্ডারগুলোর তালিকা করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থপ্রাপ্তি সাপেক্ষে শুষ্ক মৌসুমে কাজ শুরু হবে বলে আশা করছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu