বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ডুমুরিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে ২০ পিচ ইয়াবাসহ আটক-১ সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাথে বুড়িগোয়ালীনির নৌকার মাঝি ভবতোষ কুমারের সাথে মতবিনিময় সভা ভারতের নদীয়ায় মটর রেসিংয়ে খুলনার ছেলে সম্রাটের কৃতিত্ব ডুমুরিয়া সদরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু পাইকগাছায় বিরোধপূর্ণ লিজ ঘের আদালত কর্তৃক নিয়োগকৃত উকিল কমিশনের সরেজমিনে তদন্ত  ডুমুরিয়ায় জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় এক বৃদ্ধ আহত গোয়ালন্দে শ্বশুরবাড়িতে জামাইয়ের আত্মহত্যার অভিযোগ নববধূকে নিয়ে ফেরার পথে মাইক্রোবাস থেকে লাফ দিয়ে বরের আত্মহত্যা পীরগঞ্জে নির্বাচনি সহিংসতায় মৃত্যু- ৩ রূপসার ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজান চেয়ারম্যান নির্বাচিত

পাইকগাছায় ২৫ বছর চকলেট বিক্রি করে সংসার চালান চায়না বেগম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট টাইম বুধবার, ৩ নভেম্বর, ২০২১
  • ৫৬ জন সংবাদটি পড়েছেন
মোঃ আসাদুল ইসলাম, পাইকগাছাঃ খুলনার পাইকগাছায় একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা চায়না বেগম। গত ২৫ বছর ধরে  উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগঞ্জ ও পৌর সদরে ফেরি করে চকলেট বিক্রি করে চলছে তার সংসার। এখন তিনি চকলেট আপা নামে পরিচিত।
যে বয়সে বইখাতা নিয়ে স্কুলে ছোটার কথা সেই বয়সেই সংসারী হয়েছেন তিনি। পৌর সদরের রাস্তায় চকলেট বিক্রির সময় কথা হয় চায়না বেগমের সঙ্গে। ছলছল চোখে চায়না বলেন, পিতার আর্থিক অবস্থা ভালো না থাকায় লেখাপড়ায় বেশি দূর এগোতে পারিনি।
উপজেলার লস্কর ইউনিয়নে নুর মোহম্মাদ সরদারের সঙ্গে বিয়ে দেন বাবা। বিয়ের পর দুটি ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। স্বামী নূর মোহম্মাদ পথেপথে ও হাট-বাজারে গান গেয়ে বেড়ান। যা পেত তা দিয়ে সংসার চলে না।
স্বামীর জমিজমা বলতে কিছুই নেই। বর্তমান সরকার মুজিববর্ষের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় বোয়ালিয়া ব্রিজের পার্শ্বে একটি ঘরে মাথা গুজার ঠাঁই দিয়েছে। তবে নেই কোনো ভাতার কার্ড। চায়না বেগম বলেন, অভাব অনটনের কারণে সংসার চালাতে সমিতি থেকে ২ হাজার টাকা নিয়ে প্রায় ২৫ বছর আগে চকলেটের ব্যবসা শুরু করি।
খুলনা থেকে কেজি দরে কিনে এলাকায় প্রতিপিস ১ টাকা করে বিক্রি করি। চকলেট বিক্রি করে দুই সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিয়েছি। গ্রামে বা শহরে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে ছোট বাচ্চারা ‘চকলেট আপা’ বলে আমার কাছে চলে আসে।
বাচ্চাদের মধ্যে যাদের চকলেট কেনার সাধ্য নেই তাদের ফ্রি দেন চায়না। তিনি বলেন, বাচ্চারা যখন আমার কাছে এসে ‘চকলেট আপা’ বলে চকলেট চায় তখন আমার ভীষণ ভালো লাগে।
সারাদিন বিক্রি শেষে কেমন উপার্জন হয় জানতে চাইলে চায়না বেগম বলেন, প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১ হাজার চকলেট বিক্রি করতে পারি। তাতে ৪ থেকে ৫০০ টাকা লাভ হয়। তিনি বলেন, করোনাকালে ও বৃষ্টির সময় ব্যবসা খুব একটা ভালো হয়নি। তা ছাড়া আস্তে আস্তে বয়স বাড়ায় এখন তেমন হাঁটতে পারি না। তাই বেচা কেনা কমে গেছে।
চায়না বলেন, আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে একটি ভাতার কার্ড চাই। শেষ বয়সে একটু সহযোগিতা পেলে খুবই উপকৃত হব।

সংবাদটি শেয়ার করুন : ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরো সংবাদ

আমাদের রূপসী ইউটিউব চ্যানেল

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: রবিউল ইসলাম তোতা

প্রধান কার্য্যালয় : রামনগর পূর্ব রূপসা, রূপসা, খুলনা

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া কপি রাইট বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Hwowlljksf788wf-Iu