- by Editor
- Jan, 03, 2025 07:14
এফ এম বুরহান, খুলনা প্রতিনিধি: ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এস কে নাজমুল হাসান এর এক মাস পাঁচ দিন বয়সী শিশু পুত্র আহমাদ ইমতিয়াজ ইন্তেকাল করেছেন। মঙ্গলবার ভোররাত ২টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়,নবজাতক আহমাদ ইমতিয়াজ ১৪ অক্টোবর রাত ১টা ১০ মিনিটে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পরদিন সকাল থেকেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। স্বাভাবিক পায়খানা না করায় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলে জানা যায়, শিশুটির পায়খানার রাস্তায় ছিদ্র নেই। জরুরি ভিত্তিতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়। টানা পাঁচ দিন আইসিইউতে থাকার পর শিশুটিকে বাড়িতে নেওয়া হলেও ভবিষ্যতে আরও দুইটি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।পাশাপাশি শিশুটির ডাউন সিন্ড্রোম থাকার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছেন তারা।
শিশুটির মৃত্যুতে শোকাহত পরিবার সন্তানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন। নাজমুল হাসান বলেন,“আল্লাহ তায়ালা আমাদের বাবাটিকে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। যারা দোয়া করেছেন, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।”
এদিকে এই মর্মান্তিক ঘটনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা ও মহানগর নেতারা গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। শোক প্রকাশ করেছেন—জেলা সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল্লাহ, নগর সভাপতি ও খুলনা-২ আসনের এমপি প্রার্থী মুফতি আমানুল্লাহ, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওলানা দ্বীন ইসলাম, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারী মোঃ ইমরান হোসেন মিয়া, জেলা সেক্রেটারী এস এম রেজাউল করীম ও মহানগর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন।
এ ছাড়া শোক প্রকাশ করেছেন—হাফেজ আব্দুল লতিফ, শেখ হাসান ওবায়দুল করীম, খুলনা এক আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবু সাঈদ, মাওঃ দ্বীন ইসলাম, আলহাজ্ব মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, মাওঃ সাইফুল ইসলাম ভূইয়া, মাওলানা হারুন আর রশিদ, মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, মুফতি আশরাফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান সৈকত, মুফতি এনামুল হাসান সাঈদ, মোঃ হুমায়ুন কবির, মাস্টার জাফর সাদেক, মুফতী ইসহাক ফরীদি, মুফতী আজিজুর রহমান সোহেল, আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম, গাজী ফেরদাউস সুমন, মাওলানা আসাদুল্লাহ হামিদী, মোঃ মঈন উদ্দিন ভূইয়া, মাওলানা মাহবুবুল আলম, এ্যাডঃ কামাল হোসেন, কি মোহাম্মদ আশরাফ আলী, মোল্লা রবিউল ইসলাম তুষার, মোহাম্মদ নুরুল হুদা সান্তু, মোহাম্মদ লিয়াকত আলী, মাওঃ নাসিম উদ্দিন, মুফতি ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএম কিবরিয়া, মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, সরোয়ার হোসেন, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবু দাউদ, আলহাজ মোঃ বাদশা খান, আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম, আলহাজ্ব মারুফ হোসেন, ডাক্তার আব্দুল্লাহ আল মামুন, এইচ এম খালিদ সাইফুল্লাহ, মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন, মুফতী মুহাম্মদ আমানুল্লাহ, মোঃ আবু রায়হান, এইচ এম আরিফুর রহমান, মুফতী দেলোয়ার হোসাইন, গাজী মিজানুর রহমান, মাওলানা ওমর আলী, মোঃ মঈন উদ্দিন, মোহাম্মদ মহিবুল্লাহ, আলহাজ্ব আব্দুস সালাম, আলহাজ্ব আমজাদ হোসেন, আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম টুটুল মোড়ল, মাওলানা তাওহীদুল ইসলাম মামুন, মাওলানা আব্দুস সাত্তার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মুফতি ফয়জুল্লাহ, মোঃ শহিদুল ইসলাম সজিব, মোঃ কবির হোসেন হাওলাদার, আলহাজ্ব আবুল কাশেম, মোঃ বাদশাহ খান, মোঃ মিরাজ মহাজন, মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাসুম, আমজাদ হোসেন, মোঃ মনজুরুল ইসলাম, আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম, মাওলানা আহাম্মদ আলী, হাফেজ কারিমুল ইসলাম, হাফেজ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ আলী আব্দুর রহমান, মোহাম্মদ নাজিম হাওলাদার নাঈম, শিক্ষক নেতা হাফেজ মাওলানা জি এম এমদাদুল হক, মাওলানা মোঃ মাহাবুবুল আলম, শ্রমিক নেতা এস এম আবুল কালাম আজাদ, মাওলানা তাওহিদুল ইসলাম মামুন, যুব নেতা মোঃ আব্দুর রশিদ, মমিনুল ইসলাম নাসিব, মুফতি ফজলুল হক, ছাত্র নেতা মোঃ মাহদী হাসান মুন্না, হাবিবুল্লাহ মেসবাহ, মোহাম্মদ ফরহাদ মোল্লা, মোঃ হাবিবুল্লাহ, শরিফুল ইসলাম, শাহরিয়ার তাজ, মাসুম বিল্লাহ, শাহরিয়ার নাফিস, নুরুল করিম প্রমুখ।