- by Editor
- Jan, 02, 2025 18:05
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) মর্গে পাঠায় পুলিশ। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন নিহতের স্বামী আশিক মোল্লা।
শাহজাহানপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহসিন তালুকদার জানান, সোমবার রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বস্তার মুখ শক্তভাবে বাঁধা ছিল।
সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নিহতের থুতনি, গলা, বুক ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এছাড়া ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙুলে কাটা দাগও পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে রবিবার রাত ১টা থেকে সোমবার দুপুর ১টার মধ্যে যে কোনো সময় স্বামী আশিক মোল্লা তাকে হত্যা করে থাকতে পারেন।
ঢামেকে মর্গে থাকা নিহতের বড় ভাই হৃদয় খান সাংবাদিকদের জানান, তাদের বাড়ি শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জয়নগর গ্রামে। বাবা নুরুল হক খান। ছয় বছর আগে সুরভীর বিয়ে হয় আশিক মোল্লার সঙ্গে। তাদের চার বছর বয়সী এক পুত্রসন্তান রয়েছে।
হৃদয় খান আরও বলেন, “আশিক আগে কেরানীগঞ্জের একটি টেইলার্সে কাজ করতো, সুরভীও সেখানে কাজ করতো। দুই বছর আগে আশিক আমার বোনকে মারধর করেছিল। তখন বোন সংসার করতে না চাইলেও পরে আশিকের সঙ্গে আবার থাকতে রাজি হয়। এরপর থেকেই আমাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল না।”
তিনি জানান, চলতি মাসের ১ তারিখে আশিক মালিবাগের ওই বাসায় ভাড়া ওঠে। সেদিনই রাতে ছেলেকে তার দাদা-দাদির কাছে পাঠিয়ে দেয়। এরপর থেকেই পরিকল্পনা করে বোনকে হত্যা করেছে সে।
ঘটনার পর থেকে স্বামী আশিক মোল্লা পলাতক রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।
নিহতের পরিবার দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।