- by Editor
- Jan, 03, 2025 07:49
নিজস্ব প্রতিবেদক: খুলনা মহানগরীর ডাকবাংলা মোড়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিহত রূপসা-বাগেরহাট আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ও শ্রমিক দল নেতা মাসুম বিল্লাহর জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাদ আসর রূপসা উপজেলার বাগমারা দারুস সালাম জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন মাওলানা মাবুদ। পরে বাগমারা আল-আকসা মাদ্রাসা সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা, আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে মাসুম বিল্লাহর মরদেহ রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে তার নিজ বাড়িতে আনা হলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। এ সময় আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা শেষবারের মতো তাকে দেখতে ভিড় করেন।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম মনা, জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পি, সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনুসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) রাত সোয়া ৯টার দিকে খুলনা মহানগরীর ব্যস্ততম ডাকবাংলা মোড়ের বাটা বাজার এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় মাসুম বিল্লাহ নিহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঈদের কেনাকাটা করতে মেয়েকে নিয়ে বাজারে আসার সময় ৭ সদস্যের একটি সশস্ত্র দল তাকে লক্ষ্য করে গুলি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে মারা যান।
ঘটনার সময় জনতা ধাওয়া করে হামলাকারীদের একজনকে একটি বিদেশি পিস্তলসহ আটক করে। আটক ব্যক্তির নাম অশোক ঘোষ বলে জানা গেছে।
নিহত মাসুম বিল্লাহ রূপসা উপজেলার বাগমারা এলাকার বাসিন্দা এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মীনা কামালের ভাই। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।